অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে ভিআইপি প্রোগ্রাম থাকে ঠিকই, কিন্তু অনেক জায়গায় এটা শুধু কাগজে-কলমে। le89
-এর ক্ষেত্রে বিষয়টা সত্যিই আলাদা। এখানে ভিআইপি মানে শুধু একটা লেবেল না — এটা একটা সত্যিকারের অভিজ্ঞতার পার্থক্য।
ধরুন, আপনি প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত গেম খেলেন এবং মাসে ২০,০০০ টাকা ডিপোজিট করেন। সেক্ষেত্রে আপনি সহজেই গোল্ড স্তরে পৌঁছাবেন। গোল্ড স্তরে পৌঁছানো মানে প্রতি সপ্তাহে ১৫% ক্যাশব্যাক, একজন ডেডিকেটেড ম্যানেজার এবং মাসে একটি বিশেষ গিফট। এই সুবিধাগুলো কিন্তু সত্যিকার অর্থেই কাজে লাগে।
অনেকে জিজ্ঞেস করেন, ভিআইপি স্তর কি একবার পেলে স্থায়ী থাকে? le89-এ প্রতি মাসে আপনার ডিপোজিটের উপর ভিত্তি করে স্তর নির্ধারিত হয়। তবে চলতি মাসে যদি ডিপোজিট কম হয়, তাহলে এক ধাপ নামার আগে আপনাকে আগে থেকেই জানানো হবে এবং সেই মাসের শেষ পর্যন্ত পুরনো সুবিধা বজায় থাকবে।
ডায়মন্ড স্তর নিয়ে আলাদাভাবে বলার আছে। এটা শুধু সংখ্যার খেলা না। ডায়মন্ড সদস্যরা le89-এর একটি ছোট্ট, বিশেষ গোষ্ঠীর অংশ হন যারা প্রতিটি বড় সিদ্ধান্তে মতামত দিতে পারেন, বিশেষ ইভেন্টে যোগ দিতে পারেন এবং প্রতি মাসে লাক্সারি ক্যাশ গিফট পান।
একটা বিষয় অনেকে বোঝেন না — ক্যাশব্যাক আর বোনাস কিন্তু আলাদা জিনিস। ক্যাশব্যাক হলো আপনার হারানো টাকার একটা অংশ ফেরত পাওয়া, এতে সাধারণত ওয়েজারিং শর্ত কম থাকে। le89-এ ভিআইপি ক্যাশব্যাকের ওয়েজারিং মাত্র ১x, যা ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক কম।
স্পোর্টস বেটিং থেকে শুরু করে স্লটস, ফিশ গেম বা লাইভ ক্যাসিনো — সব ধরনের গেমেই পয়েন্ট জমে। তাই আপনি যে ধরনের গেমই পছন্দ করুন না কেন, ভিআইপি সুবিধা পাওয়ার পথ সমান।
মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্যও সুখবর আছে। le89 অ্যাপে ঢুকলে ভিআইপি ড্যাশবোর্ড থেকে সরাসরি পয়েন্ট রিডিম করা যায়, পরবর্তী স্তরে পৌঁছাতে কত পয়েন্ট লাগবে তা দেখা যায় এবং ম্যানেজারের সাথে সরাসরি চ্যাট করা যায়।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, le89-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে নিয়মিত খেলোয়াড়রা সত্যিকারের মূল্য পান। এটা কোনো মার্কেটিং গিমিক না — এটা একটা কংক্রিট রিওয়ার্ড কাঠামো যা আপনার প্রতিটি বেটকে আরও অর্থবহ করে তোলে।